Saturday, June 4, 2016

ভ্রমণ

গতবছর বৃষ্টি ছিল না।
ভীষণ রোদ্দুরেই খুঁজেছিলাম সুখ।
আজ মেঘ জমেছে বাইরে।

ঘরে আমার ঘোরতর অসুখ।

ভ্রমণে

বৃষ্টি ডাক দিলে -
চৌকাঠ ডিঙিয়ে বারান্দা,
বারান্দা থেকে নেমে বাগান,
বাগানের শেষে মাঠ,
মাঠ পেরিয়ে দিগন্তরেখার দিকে
এভাবেই বেরিয়ে পড়ি একা।

ভ্রমণে।

Friday, June 3, 2016

বাঁচা

এইসব গতকালের লেখা।
ছেঁড়া ছেঁড়া শব্দ, পুরোনো মনখারাপের টুকরো...
গতকালের ইতিবৃত্ত সবই।
এরা তোমার কাছে পৌঁছবে না পথেই হারিয়ে যাবে,
সে তো আগামীকালই জানে।
আজকের দিনটায় অন্ততঃ ভেবে নিই সব ঠিকঠাক আছে।

আজকের দিনটা বেঁচে নিই নিরুদবিগ্নভাবে।

অমল

বড় হয়ে রোজ রোজ অসুখ করলে কিছুতেই আর ছোটবেলার মতো অমল হওয়া যায় না। কিছুতেই ভাবা যায় না দইওলার মতো কেউ কী নিদেনপক্ষে ঠাকুরদাদা এসে গল্প শোনাবে। রাজার কাছে চিঠি লিখলে যে উত্তর মিলবে না কেমন তা স্পষ্ট জানা থাকে। ছোটবেলায় এই সব না ঘটাগুলো ভুলিয়ে দেয় মা,গল্পে,গানে। আর ঠিক এই জন্যই,এই জন্যেই অসুখ করলে আর যাইহোক বড় হতে নেই। কিম্বা বড় হয়ে অসুখ করতে। মায়েদেরও তাতে বয়স বেড়ে যায় যে। কিছুতেই আর ছোটবেলার মা মেলে না।

তবু কারোর কারোর রোজ অসুখ করে। এমন কী না চাইলেও বড় হয়ে গেলেও।

ভারী যত্ন পেলেও কারোর কারোর তাও তখনও দইওলা,ঠাকুরদাদা,সুধা,রাজার চিঠি কিম্বা ছোটবেলার মায়ের জন্য মনকেমন করে। বড় হয়ে গেলেও।

বিষাদ

স্মৃতির ভেতর থেকে তুলে আনি
জলকণাগুলি।
দুচোখে তারা আজও
টলমল করে।
স্মৃতির গভীর থেকে টেনে নিই
সেইসব বন্য সুবাস।
সমস্ত শরীর জুড়ে বেদনারা
সারারাত ঝরে।

তবু মনে রেখো

সমস্ত ক্লান্তিগুলো একদিন জড়ো করে রেখে আসব তোমার উঠোনের একপাশে। সমস্ত বেদনাগুলো তোমার আলনায় এলোমেলো হয়ে থাকবে। সব বিষাদ উপুড় হয়ে পড়ে থাকবে ওই বিছানায়। আর তোমার জানলার নীচে যেখানে রঙ্গন গাছটিতে লাল ফুল ফুটেছে, ওইখানে, ঠিক ওইখানটিতে রেখে আসব আদর।


রোজকার মতো বাড়ি ফিরে এঘর-ওঘর খুঁজতে খুঁজতে কোথাও না পেয়ে বারান্দায় এসে দাঁড়ালে দেখবে দিগন্তরেখায় নীল-রাঙা মেঘে আঁচলের প্রান্তখানি আঁকা হয়ে আছে।

Wednesday, June 1, 2016

অফার

মেঘলা দিনে ঘরের মধ্যে রজনীগন্ধার হালকা সুবাস ভাসছে বাতাসে।


দিন তিনেক আগে, বেশ রাত্তির হয়ে গিয়েছিল। ২০ টাকায় তিন বাণ্ডিল করে রজনীগন্ধা বেচছিল লোকটা কেষ্টপুর আন্ডারপাসটার মুখে। জোরে জোরে হাঁক পাড়ছিল অফার অফার। আমরাও কিনে ফেললাম।